বাহিরানা

আমি যে মরি না তাই— বায়েজিদ বোস্তামী— কবিতার অনিঃশেষ অর্থের দিকে

যে কবিতা নিজের স্থিরতাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলে সেই কবিতা পাঠকদের নতুন নিশানা দেয়, যেখান থেকে অভিজ্ঞতার নতুন, নতুন অর্থ তৈরি হয়। কবিতা যেমন ব্যক্তিইতিহাস তুলে ধরে তেমনি সেই ব্যক্তির ভেতর লুকনো দেশকেও একইসাথে প্রকাশ করে। এই ব্যক্তি অসংখ্য পাঠকদের সাথে একাকার হয়ে যান। কিন্তু ভাষার ভেতর ভিন্নভাবে নিজেকেও অক্ষত রাখেন। বায়েজিদ বোস্তামীও যেন‌ ‘আমি যে মরি না তাই’-এ জীবনের মৃত্যু না হওয়া প্রাত্যহিক ইতিহাস বিধৃত করেছেন। যেখানে চিরকালের জীবন তার অবলোকনের ভিন্নতায় তীর্যকভাবে ধরা দিয়েছে, একচল্লিশটি কবিতায়।

সূর্যঘরের টারবাইনে— শুভ্র সরকার— ব্যক্তিগত দেখার মাঝে সমষ্টির যোগাযোগ

শুভ্র সরকারের কবিতায় শব্দ লতার মাঝে থাকা পাতার পরস্পরের নিবিড় যোগাযোগের মতো, স্বাভাবিক নিয়ম মেনে তারা দূরত্বে থাকলেও প্রায়শই হাওয়া এসে তাদের এক করে দেয়। এর ফলে যে গতির সঞ্চার হয়, তাতে গড়ে ওঠে চিত্রকল্প, উপমা আর শেষে একটি সম্পূর্ণ কবিতা। দীর্ঘদিন ধরে কবিতা লিখলেও তাঁর প্রথম বই ‘বিষণ্ণ স্নায়ুবন’ প্রকাশিত হয়েছে দুই হাজার বিশ … Read more

হৈলদা পাতার গান— রাজিয়া সুলতানা— শূন্যতার মাঝে আশার কবিতা

রাজিয়া সুলতানা ইতোমধ্যে কবিতায় তাঁর স্বকীয়তা প্রতিষ্ঠা করেছেন পাঠক ও বোদ্ধা মহলে। তাঁর কবিতায় জীবন ও জগৎ ভিন্নদিশায় নিজেকে স্পষ্ট করে মেলে ধরে, বস্তু জগতের সাথে ঘনিষ্ঠতা অনবদ্য সব চিত্রকল্পে হাজির করেন তিনি। প্রথম কবিতার বই, ‘ভালোবেসে ভালো নেই’ (২০১৫), থেকে দ্বিতীয় কবিতার বই ‘হারপুনে গেঁথেছি চাঁদ’ (২০১৬)-এ ক্রমান্বয়ে নিজের ভাষাব্যবহারকে ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে নিয়ে … Read more